বুধবার , ২২ মে ২০২৪ | ২৪শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. কৃষি ও প্রকৃতি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. টপ টেন
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. দেশজুড়ে
  13. ধর্ম
  14. নারী ও শিশু
  15. প্রধান খবর

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কাউকে সমর্থন না করেই মরহুম মৌলভী ফেরদৌস পরিবারের বিবৃতি

প্রতিবেদক
azadikantho
মে ২২, ২০২৪ ৪:০৩ পূর্বাহ্ণ

টেকনাফের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান মরহুম মাওলানা ফেরদৌস আহমদ জমিরির পরিবার উপজেলা নির্বাচনে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন করছেন না বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন।ওই বিবৃতিতে বিভিন্ন কথা তুলে ধরেছেন তাঁর পরিবার। পরিবারের পক্ষথেকে বুধবার (২২ মে) গণমাধ্যমে এই বিবৃতি প্রদান করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও মাওলানা ফেরদৌস আহমদ জমিরির দ্বিতীয় ছেলে মিসবাহ উদ্দিন।

নিচে বিবৃতি হুবহু উল্লেখ করা হয়েছে :

প্রসঙ্গ: আসন্ন টেকনাফ উপজেলা নির্বাচনে প্রয়াত সাবেক উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যানের পরিবারের তরফ থেকে বর্তমানে আলোচিত-বিতর্কিত কিছু বিষয় স্পষ্টকরণ ও আগত নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রতি উনার পরিবারের পক্ষ থেকে বিরোধপোষণ, সমর্থন, দলনিরপেক্ষ স্বাতন্ত্রবোধ বজায় রক্ষণের কারণ।

প্রিয় টেকনাফবাসী, আপনারা প্রত্যেকে জ্ঞাত আছেন যে, গত ২০১৯ সালের ২২ই মার্চে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমার মরহুম পিতা, সাবেক উপাধ্যক্ষ, মাওলানা ফেরদৌস আহমদ জমিরী তাঁর দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি শিক্ষকতা জীবনের অগুনতি শিক্ষার্থীবৃন্দের কারণে, তিন দশকেরও বেশিসময় ধরে ওয়াজ-মাহফিল-ফতোয়ার জগতে তার সীমাহীন অবদান ও জনপ্রিয়তার কারণে এবং দক্ষিণ চট্টলার প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব, লেখক, সমাজ সংস্কারক আল্লামা জমিরীর দৌহিত্র হবার সুবাদে, অত্রাঞ্চলের আপামর জনতার শ্রদ্ধা ভালবাসা ও অকৃত্রিম আবেগের ফলশ্রুতিতে তাদের হৃদয় জয় করে স্বতন্ত্র থেকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১২৫৬ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

সম্পূর্ণ অবাস্তব-বানোয়াট-উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভোট কারচুপির অভিযোগে নির্বাচিত হবার পরদিন থেকে আমার পিতার মৃত্যুঅবধি একটানা ১বছর ২মাস ২১দিন যাবৎ মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে নজিরবিহীন চরম মানসিক ও আর্থিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য মামলা ভিত্তিহীন এই কারণে যে, ভোটে যেকোনো অনিয়ম করতে হলে দলীয় ক্ষমতা, অঢেল অর্থবিত্ত ও শক্তিশালী কর্মীবাহিনীর প্রয়োজন হয়, যার কোনোটাই মরহুম নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যানের ছিল না। পুরো টেকনাফবাসী এবং বিশেষ করে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভোট গ্রহণকারী সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ সমধিক অবগত ও প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিল। মহামান্য আদালতের রায়ও আব্বুর পক্ষে এসেছিল।

মৃত্যুপূর্ব পর্যন্ত প্রতিমাসে একাধিকবার আমার পিতাকে উক্ত মামলার প্রয়োজনে অফিস-আদালতে দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছিল। তৎকালীন মৌলভীবাজারের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ও দক্ষিণ চট্টলার স্বনামধন্য আলেমকে এহেন মিথ্যো অপবাদের ভার সইতে না পেরে বিজয়োল্লাস ও আনন্দ উপভোগের সোনালী সময়ে দিনরাত মামলার নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করতে দেখেছি। জুম্মার নামাজের সম্মিলিত মোনাজাতে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহর কাছে অভিযোগ দিতে, সারারাত পাঁয়চারি করে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে দেখেছি। দেখেছি নিরবে-নিবৃত্তে নিরালায় অবুঝ শিশুর মতো চোখে জলঢেউয়ের উত্থান-পতন।

দেখেছি পাহাড়ের মতো অটল, দৃঢ়চেতা ব্যক্তিকে কাঁচের মতো টুকরো টুকরো হয়ে যেতে।
উক্ত নির্বাচনী মামলার কারণে মরহুমের মানসিক ও আর্থিক অবর্ণনীয় অসহনীয় কষ্ট-যন্ত্রণা কতটুকু বিস্তৃত ছিল তা আমার পরিবারসহ পুরো টেকনাফবাসী সাক্ষী ও প্রত্যক্ষদর্শী।

জীবিতাবস্থায় যদিওবা মহামান্য আদালতের রায় আব্বুর অনুকূলে ছিল, এবং উপজেলার যাবতীয় দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছিল তথাপি আব্বুর মৃত্যুর পরে পরাজিত কুচক্রী প্রার্থী পুনরায় আপিল করে বেআইনিভাবে জয়ী ঘোষিত হবার জন্য উঠে পড়ে লাগলে আদালত তা সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয়।

গত ১৯-এর উপজেলা নির্বাচনের এক প্রার্থী সেই ভিত্তিহীন অসদুদ্দেশ্যমূলক মামলা করেছিল, আরেক প্রার্থী সেই মামলায় স্বাক্ষী দিয়ে সহযোগিতা করেছিল। এখন সেই দুজন প্রার্থী প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যানের ভোটব্যাংক থেকে ভোটাদায়ের উদ্দেশ্যে অতীতে করা ষড়যন্ত্র অস্বীকার করে পুনরায় নানাবিধ অযৌক্তিক অজুহাত, ছলচাতুরী ও কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করার জন্য হাজির হয়েছে।

জনগণ তার বিবেকের আদালতে হাজিরা দিয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন কাকে ভোট দেবে আর কাকে বর্জন করবে। আমার বাবার হয়ে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি কখনো লাঘব করা যাবে না, তবে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি তাদের কুঠারাঘাত করবে ইনশাআল্লাহ। তাদের ন্যাক্কারজনক কৃতকর্মের জবাবদিহি ও পরিণতি যদিওবা পরকালে ভোগ করবে তবে এখন যতটুকু সম্ভব হয়েছে তার জবাব দেওয়া সময়ের দাবি। সুতরাং আমার বাবা যে ঘৃণ্য অপরাজনীতির শিকার হয়ে কোর্ট-আদালতে দীর্ঘকাল ধরে ধরনা দিতে দিতে মৃত্যুপথের যাত্রী হতে হয়েছে এহেন অপরাজনীতি, সেসব কুচক্রী মামলাবাজ ও কুমন্ত্রণাদাতাকে তীব্রভাবে বৈকট করলাম।

সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যানের কিছু প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অনুরাগী ও সমর্থকের অনুরোধে কিছু বিষয় স্পষ্ট করতেছি।

উল্লেখ্য তিনজন প্রার্থীর মধ্যে বাকি একজন আমার বাবার দূর সম্পর্কের আত্মীয়, ওনার সাথে আমাদের ঘনিষ্ঠ কোনও সম্পর্ক নাই। ওনি যে উপজেলা নির্বাচন করবে সে বিষয়ে আমাদের থেকে আগে পরামর্শ বা মতামত নেইনি, অবগত করেনি।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে তিন জন ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আমার পরিবার কাওকে সমর্থন করছে না। সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যানের অর্ধার্ঙ্গিনী, সন্তান-সন্ততি ও পরিবারবর্গ এমন নোংরা রাজনীতির অংশীদার না হয়ে দলনিরপেক্ষ স্বতন্ত্র থাকাকেই বেছে নিয়েছেন।

আমার মরহুম পিতাকে কে মামলা করে হয়রানি করেছে, কে মামলায় সহায়তা করেছে এসব বিষয়ে এখন পরস্পরকে কাঁদা ছোড়াছুড়ি করে জনগণের সিম্পেতি অর্জনের চেষ্টা চলছে। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করতেছে, হাজির হয়েছে নিজেকে সাধু প্রমাণ করার লম্বা ফিরিস্তি নিয়ে। মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে এমন মন্দ অভিপ্রায়ের অপরাজনীতি সম্পূর্ণরূপে বয়কট করলাম। আমার মরহুম পিতার ইজ্জত ও সুনাম অক্ষত অমলিন থাকার জন্য সবার নিকট দোয়া কামনা করি।

বিবৃতিদাতা :-
সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান পরিবারের পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রকাশে তাঁর সহধর্মিণী মমতাজ বেগম ও পুত্র, মিছবাহ উদ্দিন নাইম। বর্তমানে অধ্যয়নরত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ও সুজা উদ্দিন সাইমন, অধ্যয়নরত, কক্সবাজার সিটি কলেজ।

সর্বশেষ - অর্থনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতির অনুমতি পেলে নির্বাচনি মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী

টেকনাফে জাতীয় পার্টির ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা শুরু

লোহাগাড়া প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সভাপতি সাইফুল্লাহ সম্পাদক মিনহাজ

টেকনাফে ইউএনডিপি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে আইন সহায়তা,জেন্ডার বৈষম্যসহ নানা বিষয়ে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ভারত থেকে আসবে ৫২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ

হ্নীলা উম্মে সালমা মহিলা মাদরাসায় মাতৃভাষা দিবস পালিত

টেকনাফে মুক্তি কক্সবাজার কর্তৃক হস্তশিল্প ও ব্লক বুটিকের উপর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

টেকনাফে তিন দোকানে ১২ হাজার টাকা জরিমানা

টেকনাফে বিপুল পরিমাণ বিয়ার জব্দ

দিনে কাটেন চুল,রাতে কাটেন পকেট