মুহাম্মদ শেখ রাসেল, টেকনাফ :
কক্সবাজারের টেকনাফে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে অর্থ সহায়তা প্রদান করেছেন টেকনাফ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে এই অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় ক্ষতিগ্রস্থ ১৪ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে এক হাজার করে টাকা বিতরণ করেন টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য জুনাইদ আলী চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য জুনাইদ আলী চৌধুরী বলেন,কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শাহ জাহান চৌধুরীর নির্দেশে আগুনে ঘর পুড়ে যাওয়া ১৪ পরিবারকে আমরা প্রাথমিকভাবে এক হাজার করে অর্থ সহায়তা প্রদান করেছি। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর গৃহনির্মাণে যা কিছু প্রয়োজন ,তাও সাধ্যমতো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রদান করবেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করে এবং সবমসময় সাধারণ মানুষের সুখেদুঃখে পাশে থাকে। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মামলা -হামলার কারণে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ঘরে ঘুমাতে পারেনি, কোনো অসহায় পরিবারের পাশে আমরা সহজে পৌঁছাতে পারিনি। অতীতের ন্যায় এখন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের লোকজন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং যেকোন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছে। আমরা চাই দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হোক, সাধারণ মানুষ শান্তিতে ঘুমাবে এবং কোনো জালেম যেন এদেশের মাটিতে আর পা রাখতে না পারে সেজন্য সকলকে কাজ করতে হবে ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন
উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন ,হোয়াইক্যং ইউনিয়ন (উত্তর) যুবদলের আহবায়ক আব্দুল কুদ্দুসসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকাল ৩ টারদিকে হোয়াইক্যং উলুবনিয়ার সৈয়দ আকবরের পুত্র আবুল কাশেম লালুর ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে আকস্মিকভাবে দ্রুত আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকে। আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। স্থানীয়দের প্রায় আধাঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হলেও পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন পুরোপুরি নেভাতে সক্ষম হয়। এসময়ের মধ্যে প্রায় ১১ টি বাড়িপুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ভোক্তভোগীরা।