‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাথে সম্মিলিত অংশগ্রহণ, নিশ্চিত করবে এসডিজি অর্জন’ প্রতিপাদ্যে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন DFAT AHP IV Livelihood Project এর আয়োজনে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে র্যালি ও আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
হ্নীলা ইউনিয়নে র্যালি ও আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা সভায় সভাপতিত্ব করেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য নাসরিন পারভিন, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ খুরশেদ আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন, ইউপি সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইকবাল ফারুক, প্রকল্প কর্মকর্তা, অক্সফাম বাংলাদেশ।
১৯৯২ সাল থেকে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে। শারীরিকভাবে অসম্পূর্ন মানুষদের প্রতি সহমর্মিতা ও সহযোগিতা প্রদর্শন ও তাদের কর্মকান্ডের প্রতি সস্মান জানানোর উদ্দেশ্যেই এই দিবসটির পালিত হয়ে আসছে। তারা আরো বলেন, প্রতিবন্ধীরা আজ দেশের বোঝা নয়, প্রতিবন্ধীরাও এই সমাজের মানুষ, সমাজের মানুষের প্রতি প্রতিবন্ধীদের অনেক অধিকার রয়েছে, এই সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী মানুষগুলো নিয়ে কাজ করছেন এনজিও সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার ও অক্সফ্যাম বাংলাদেশ।
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে ” প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাথে সম্মিলিত অংশগ্রহণ, নিশ্চিত করবে এসডিজি অর্জন’” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখেই প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করছেন উক্ত সংস্থাটি।
এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিবন্ধীদের “কুইজ ” প্রতিযেগিতায় ২৪জন বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। পুরষ্কার পেয়ে প্রতিবন্ধী মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটেছে। এসব অসহায় মানুষগুলো সংস্থাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আমাদেরই আপনজন ও প্রতিবেশি। বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা প্রতিনিয়তই পিছিয়ে পড়ছে বা বাদ পড়ছে। যার ফলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অনেকটা ধীর হচ্ছে। এই বিশ্ব বিনির্মাণে প্রতিটি ব্যক্তির অবদান রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অবদানও কম নয়। তাই এই উন্নয়নের যাত্রায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারেন। আমরা যারা স্বাভাবিক রয়েছি প্রত্যেকের উচিত অঙ্গীকার করা যেন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করি এবং সমান সুযোগের মাধ্যমে উন্নয়নের গতিশীলতা বৃদ্ধি করি।
মুক্তি কক্সবাজার এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ ফয়সাল বারী বলেন,সমাজের এসব অবহেলিত মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটাতে এবং তাদের সাবলম্বী করতে মুক্তি কক্সবাজার ও অক্সফ্যাম বাংলাদেশ কর্তক বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতা করা যাচ্ছে।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে মুক্তি কক্সবাজার এর প্রকল্প কর্মকর্তাগন, সাংবাদিক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।